প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য
চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত পটিয়া উপজেলাধীন ১৪নং ভাটিখাইন ইউনিয়নের নিভৃত পল্লী করল গ্রামে অবস্থিত করল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৯০ সালের ১লা জানুয়ারী প্রতিষ্ঠিত হয়। নারী শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সে সমস্ত মহৎপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তৎ মধ্যে যে ক্ষণজন্মা মহাপুরুষ বিশ্ববরেণ্য মানবতাবাদী সিদ্ধপুরুষ নামে শ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ মহাথের নামে কল্যাণ প্রকল্পের অধীনে প্রতিষ্ঠাতা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজসেবায় স্বর্ণ পদা ব্যক্তিত্ব শ্রীমৎ শুদ্ধানন্দ মহাথের মহোদয়, দাতা সদস্য যথাক্রমে বাবু অমল কান্তি চৌধুরী, (সমাজসেবায় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত) ডাঃ বিমলেন্দু বড়ুয়া চৌধুরী, লায়ন ডাঃ মৃদুল বড়ুয়া চৌধুরী এফ.বি.সি.সি.আই, বাবু নিখিল চৌধুরী প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের প্রত্যেককে আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ জনপদে এইরকম একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সত্যিই দুঃসাহসিক, প্রশংসনীয় ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। প্রতিষ্ঠালগ্ন হইতে যে সমস্ত পণ্ডিত সহকর্মী প্রধান শিক্ষকবৃন্দ দায়িত্ব পালন করে বিদ্যালয়ের ক্রমোন্নতিতে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদেরকেও বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা জানাই।
শিক্ষা, শিক্ষক ও শিক্ষকতা যে একে অপরের পরিপূরক। শিক্ষাদানের মহৎ কাজকে এগিয়ে নেন শিক্ষক-শিক্ষিকা সমাজ। তাই শিক্ষকতার মত মহান পেশাকে ব্রত হিসাবে গ্রহণ করি যাদের অনুপ্রেরনায় তাঁদের আদেশ, উপদেশ, শাসন, সোহাগ, আজ বড্ড বেশী মনে পড়ে, যখন নিজেও একই পেশায় জড়িত হয়েছি। তাই তাঁদেরকেও আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। অত্র বিদ্যালয়ে আমি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করি ২০০৪ সালের ১লা ডিসেম্বর। দিনটি ছিল আমার জন্য সৌভাগ্যের তো বটেই পরম প্রাপ্তির। সেদিন হতে প্রতিটি মুহুর্তে মনে প্রাণে উপলব্ধি করছি যে, কি রকম গুরুদায়িত্ব আমি কাঁধে নিয়েছি। সতত চেষ্টা করি শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী সার্বিক সহযোগিতায়, সরকার নির্দেশিত নিয়মানুসারে শিক্ষার উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান সৃজনশীল শিক্ষানীতির আলোকে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র এবং নতুন পাঠ্যক্রমে শিক্ষাদান পদ্ধতিকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন এবং সার্থক করে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অবশ্যই সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন। যদিও অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও জাতিকে শিক্ষিত করে তোলার মূল দায়িত্ব পালন করে চলছে। তাহা শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির একমাত্র সদিচ্ছার কারণেই সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে নতুন শিক্ষানীতির আলোকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীতে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত শিক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যালয় পরিচালনায় অর্থনৈতিক সর্বোচ্চ সহযোগীতায় হাতছানি দিয়ে গতিশীল করে রেখে চলেছেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি কর্তৃক মনোনীত বাবু লায়ন ডা: মৃদুল বড়ুয়া চৌধুরী নিজস্ব অর্থায়নে সাথে সহযোগী হিসাবে রয়েছেন মানবতাবাদী নারী হিসেবে সুপরিচিত মিসেস শেলা বড়ুয়া চৌধুরীর অর্থায়নে সকল শিক্ষার্থীদের মিড ডে মিল , মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম ,সততা স্টোর ইন্টারনেট সংযোজন ও সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থাসহ বিভিন্নভাবে আর্থিক, কায়িকভাবে সহযোগীতা করে চলেছেন। আমি তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সরকার কর্তৃক প্রদত্ত “ আই .সি .টি ডিজিটাল ল্যাব” ৪র্থ তলা ভবন নির্মান করে ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন করে দেওয়ার প্রশাসনিক সংশ্লিষ্ট সকলকে এবং বর্তমান সরকারের আন্তরিক শ্রদ্ধাভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীদের মাঝে আমরা হাতে-কলমে ব্যবহারিক জীবন ও জীবিকা উন্নতিকল্পে শিক্ষক-শিক্ষিকার মাধ্যমে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
প্রধান শিক্ষক
নাম :রাকা রশ্মি বড়ুয়া
পিতা : দ্বিজেন্দ্র লাল বড়ুয়া
মাতা : প্রতিমা রাণী বড়ুয়া
জন্ম তারিখ :২৮/০১/১৯৬৭ ইংরেজী
সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান :০৩/০৭/১৯৯৩ইং
বারৈকড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পটিয়া।
সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান : ০১/০১/২০০১ইং
বারৈকড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পটিয়া।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান :১৯/০১/২০০২ইং
বারৈকড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পটিয়া ।
অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান : ০১/১২/২০০৪ইং
অত্র প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে বেতন প্রাপ্তির তারিখ: ০১/০১/২০১০ ইং
অভিজ্ঞতা : ৩3 বছর (প্রায়)
প্রি সার্ভিস ট্রেনিং : ০৯/১২/২০০৬ইং - ৩০/১২/২০০৬ইং
ফলোআপ প্রশিক্ষণ : ২৭/০৬/২০০৯ইং - ০২/০৭/২০০৯ইং
সৃজনশীল প্রশ্নপত্র প্রনয়ন প্রশিক্ষণ : ২৭/০৮/২০১০ইং - ২৯/০৮/২০১০ইং
বৈবাহিক অবস্থা : বিবাহিত।
স্ত্রীর নাম :মিসেস তৃষ্ণা বড়ুয়া (গৃহিণী) ।
সন্তান : এক পুত্র সন্তান
নাম- তন্ময় বড়ুয়া।
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।
প্রিয় রং- সবুজ, প্রিয় খাবার- সবজি, প্রিয় পোশাক- শার্ট ও পেন্ট।